Showing posts with label দৈনন্দিন. Show all posts
Showing posts with label দৈনন্দিন. Show all posts

May 9, 2008

ছোটগল্প

আমি সত্য না হইলে গুরু সত্য কোনকালে। আজ এই কথার সারমর্ম অনুধাবন করলাম। মনে হলো মোঁপাসা'র ছোট গল্প, টান টান কিন্তু সংক্ষিপ্ত। ভাসিয়ে নেওয়ার তীব্র একটা সম্ভাবনা নিয়ে আসা যে ঢেউ, গোড়ালির কাছে সন্তর্পণে মিলিয়ে যায় ঠিক সেরকম একটা অনুভব। বড় উপন্যাস হবার উপাদান ছিলো কিন্তু, গুরু চাইলেন না। আরো সহজভাবে বলতে পারি, মহাকাব্য হবার অমিত সম্ভাবনার অপমৃত্যুই ছোটগল্পের জন্ম দেয়।

Feb 5, 2008

উষ্ণ এই দিনে

প্রথমেই আমার ভাতিজি কে স্বাগতম জানাই এই বসন্ত আগমনী দিনে। পিয়াল এবং পিয়ারী দুজনেই তরতাজা থাকুন, শুভেচ্ছা নবসন্তানতৃত্ব পাওয়া দম্পতিকে।

লাঞ্চ খেতে আজ জাপানীজ রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলাম। হিবাশী রাইস সাথে গ্রিলড টেরিয়াকি চিকেন। সয়া সস একটু কম দিতে বলেছি, তাতে পেট ঠান্ডা থাকে। খাওয়াটা বেশ হয়েছে। অবশ্য খাওয়া ভালো না হলে খবরই ছিলো, কারণ রওয়ানা হবার সময় দেখি ১৫ ডলারের পার্কিং টিকেট খেয়েছি। মেশিন শপের পার্কিং লটে গাড়ী ছিলো। ওটা ফ্যাকাল্টি/স্টাফ পার্কিং । কিন্তু মজা হচ্ছে শুধু দুটো গাড়ীকেই টিকেট দিয়েছে, অন্যদের দেয়নি। সূত্র মারফত জানলাম কেউ একজন স্পেসিফিক্যালি আমার গাড়ীর নম্বর উল্লেখ করে পুলিশে ফোন দিয়েছিলো। মেশিন শপের এক স্টাফ চেষ্টা করেছে কিন্তু টিকিট দেওয়া আটকাতে পারেনি। কে এরকম করতে পারে ? এটাই আমার প্রথম পার্কিং টিকেট। ঈশ্বরের কোন খাস পেয়াদা হবে হয়তো, কিংবা শয়তানের ণওকর। বজ্জাত হাড়গিলে, চিমসে কাঠঠোকরা।

রেস্টুরেন্ট থেকে বেরিয়ে দেখি, আকাশ জুড়ে ধবল মেঘেরা পায়চারি করছে। বাজে ধরণের ঠান্ডা গায়েব, উষ্ণ এবং ওমদায়ক বাতাস। এটা বসন্তের অগ্রগামী সংকেত। ঠিক এই সংকেত চিনতে আমার কখনোই ভুল হয় না। বসন্ত আসতে দেরী আছে, কিন্তু খবর পাঠালো সে আসবে এবং নিশ্চিতভাবেই সে আসবে। গাড়ীটা এবার এনে রেখেছি একটা প্রাইভেট ডর্মের পার্কিং লটে, ওদের ট্যাগ আমার আছে। যেখানে রেখেছি সেখান থেকে একটা গাড়ি টো করে নিয়ে গেলো ক্ষণিক আগে। পিছনে হুড়কো লাগিয়ে, রাস্তায় নাক দিয়ে খত দিতে দিতে। কি বিষণ্ণ এবং বেদনাদায়ক সব নৈমত্তিক ঘটনা ঘটে চলেছে, অসাধারণ বসন্তবার্তার দিনে। একটা দিন হুট করে কখনো থেমে যায়না, বসন্ত অনলে। বড়ই অদ্ভুত জীবনাচরণ।

Aug 29, 2007

আমাদের রোমযাত্রা কি তবে শুরু হলো ?

সব রাস্তাই ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে এক পর্যায়ে রোম অভিমুখী হয়। কথাটা নিদারূণ সত্য বলে মনে হচ্ছে, সম সাময়িক ঘটনাপ্রবাহে। নাশকতামূলক ষড়যন্ত্র, অপশক্তি, দূরভিসন্ধি নানাবিধ অভিধা এখন সেনাপ্রধান এবং উপদেষ্টাদের কথায়। আগের সরকারগুলোর অভিযোগের ক্ষেত্রে দেখেছি, সরকারীদল খুব প্রত্যাশিতভাবেই বিরোধীদলকে দায়ী করে থাকে নাশকতামূলক কাজে লিপ্ত বলে। একই সাথে প্রধানদুটি দলের সাথে দুটো প্রতিবেশী দেশের ইন্ধন'ও উঠে আসে সরকারী প্রেসনোটে। এসব নাশকতা ছিলো বিরোধী দলের ছাত্রনেতা কিম্বা কোন নেতাকে ঢিট করবার প্রয়োজনীয় হাতিয়ার। বর্তমানে দৃশ্য পুরোপুরি বদলে গেছে। যুগে যুগে সারা পৃথিবীতেই সেনাসরকার রাজনীতি বিরোধী। এখন রাজনীতিবিদ কিম্বা রাজনীতি যেটাই বলুন, রাজনৈতিক আবহকেই অপশক্তি বলে চিত্রায়িত করবার চেষ্টা করছে বর্তমান সরকার* (*সেনাসমর্থিত সরকার)।

সরকার বলছে, অপশক্তি চাইছে জনগণের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীকে দাঁড়া করাতে এবং প্রেসব্রিফিংয়ে বলছে রাজনীতিবিদরাই হচ্ছে এই অপশক্তি। তাহলে বিষয়টা কোথায় দাঁড়ায়। সরকার রাজনীতিকে জনগণের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে। ডানে-বামে কান্নি মেরে রাস্তা আবার ঠিক রোমে পৌঁছোচ্ছে। জেনারেল পারভেজ মোশাররফ ক্ষমতায় আসবার পর পাকিস্তানের ব্যাংকগুলোতে ঋণখেলাপীরা লাইনে দাঁড়িয়ে হুড়োহুড়ি করে ঋণ শোধ করেছিলো। নেওয়াজ শরীফ আজীবন নির্বাসিত হলেন, এবং বেনজীর ভুট্টো দূর্নীতির দায়ে ওয়ারেন্ট এড়াতে প্রবাসী। আমাদের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের নেত্রীও, ঠিক এমন দশা হওয়ার মুখে ছিলেন। এখানে লক্ষ্যনীয় যে, পুরো রাজনৈতিক হিসেব-নিকেশ কে একপাশে রেখে দুজন স্কেপগোট তৈরির প্রথা, দু-দেশেই সমানভাবে বিরাজমান। তার মানে কী ? অন্য রাজনীতিবিদ যারা জেলের বাইরে আছেন, যারা সংস্কারের কথা বলছেন তারা অপরাধ করেননি ?


অপশক্তি'র প্রশ্নে আবার আসি। অপশক্তি কে বা কারা ? সংবাদ মাধ্যমের ভাষ্য অনুযায়ী এই পৌনে এক লক্ষ লোক অপশক্তি । এরমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কমবেশী সব ছাত্র-ছাত্রীই অপশক্তি, কারণ বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল ঢাবি থেকে। একটা নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর মধ্যে ১০০ জনে ১ জন, কিম্বা ১০ জনে ১ জন ভিন্নমত পোষন করলে সেটাকে আমরা ভিন্নমত বলতে পারি। সরকার পক্ষ বলবে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী কিম্বা অপশক্তি। কিন্তু দেশের প্রতীক একটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমস্ত ছাত্র-ছাত্রী-শিক্ষক-অভিভাবক এবং দেশের অসংখ্য মানুষ যখন একই মত পোষন করে; তখন সেটা সরকারে পছন্দনীয় না হতে পারে কিন্তু সেটা একটা মত এবং সেটাই দেশের প্রতিনিধিত্বকারী মত।

Jul 23, 2007

২৩ শে জুলাই, ২০০৭

লেখালেখি পুরোমাত্রায় বন্ধ। এটার কি কারণ হতে পারে। ব্যস্ততা বললে ভুল হবে। ব্যস্ত আমরা সবসময়ই থাকি। কিন্তু এখন যে সময় যাচ্ছে সেটাকে বলতে পারি, সময়ের পূর্ণ ব্যবহার। জেগে থাকা প্রতিটি মুহূর্তে কিছু করছি। এই কাজ করবার ক্লান্তি যেমন আছে, তেমনি আছে ভাল লাগা বোধ। নিজেকে পূর্ণোদ্যমে খরচ করবার তৃপ্তিই আলাদা। এই সময়গুলোতে নিজের ক্ষমতা, সামর্থ্যে এবং স্বপ্নের সাথে পরিচয় হয়। যা হোক এসব বলে জল ঘোলা করে আর কাজ নেই।

এখন থেকে প্রতিদিন, অন্তত এক পাতা লিখব ঠিক করেছি।

May 5, 2007

শুভ জন্মদিন



ব্যস্ত একটা দিন পার করলাম গতকাল। একে শুক্রবার, সপ্তাহের শেষ দিন। তার উপর সেমিস্টার শেষের দিন বলা যায়। সকালে পরীক্ষা দিলাম। কি দিলাম শুধু আমি জানি, আমার পেন্সিল জানে। পরীক্ষার জন্য পড়তে হবে এই মানসিকতা একদম গেছে আমার। পড়াই হয় না। তাও দিয়ে এসেছি। অবশ্য প্রজেক্ট প্রেজেন্টেশান খুব ভাল হয়েছে। সুতরাং এ যাত্রা রক্ষা। পরীক্ষার পর যথারীতি বিস্কিট দিয়ে লাঞ্চ করে মসজিদে গিয়েছি। এসে রবার্ট কে নিয়ে এগযসট লাইন নতুন করে বানালাম। ওকে অনেক আগেই মসলাদার খাবার খাওয়াবো বলেছিলাম। আর ওদিকে প্রদীপ্ত এন্ড গং’ রা আমার মিক্সড ভেজিটেবল এর প্রশংসা শুনে বসে আছে খাবার জন্য। তাই ওদের সবাইকে রাতে আমার বাসায় খাওয়ার নিমন্ত্রণ করেছিলাম।

জন্মদিন বিষয়টা কখনোই সেই অর্থে নোটেবল কিছু ছিল না আমার কাছে। কখনো উৎসব করে পালন করিনি। কলেজ ভর্তি হবার পর থেকে বন্ধুরা জন্মদিনে শুভেচ্ছা দিত এইটুকুই। গতবছর জন্মদিনের দিন রুমমেটকে Yesterday রেস্টুরেন্টে খাইয়েছিলাম। বেচারা গত চারদিন আগে জানতে পারলো সেটা ছিল আমার জন্মদিন। খুব আফসোস করছে এখন।

সকালে পরীক্ষার মাঝখানে কল পেলাম শামীমা আক্তার (সম্ভবত। নাম ভুল হলে শামী কাবাব বানাবে আমাকে) সাকী’র। অনেকদিন কল করিনি, কল করলে আমার ত্যাঁদড় হেডফোন এর কারণে কথা ওদিকে শোনা যায় না। এই সব নিয়ে সে দেখলাম বোমা হয়ে আছে। ফোন ধরার পর ‘শুভ জন্মদিন’ বলতে যতক্ষণ লাগে তাই রক্ষা। এরপর শুরু হলো ঝাড়ি। বাপস। আরে দোস্তলোগ এত অল্পে ক্ষেপলে কি চলে ? এখন এই বাবদ আরো মাস ছয়েক যখনই কথা হবে আশা করছি ছোট ছোট কিস্তিতে ঝাড়াঝাড়ি করবে।

নিমন্ত্রণ তো করলাম কিন্তু রক্ষা কে করবে। এগযসট লাইনের কাজ শেষ করে ওয়ালমার্ট, সেখান থেকে বাজার করে বাসায় আসতে আসতে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা। দাওয়াত যখন আমরা খেতে যাই, আমরা জানিও না এর পেছনে কি কর্মযজ্ঞ ছিল। গতকাল সেটা হাড়ে হাড়ে টের পেলাম। মিক্সড ভেজি এবং চিকেন ভূনা দুটো আইটেম। আমার চুলোয় একটা মাত্র বড় হিটার, বাকী তিনটা ছোট। ফলে একটা একটা আইটেম রান্না করতে হবে। বড় ননস্টিক আছে মাত্র একটা যেটাতে রান্না করতে কমফোর্ট ফিল করি। ফাও পাওয়া গেঞ্জাম হলো ফ্রোজেন চিকেন। বরফ যুগের তিনটে বরফ খন্ড। সালদ করতে গিয়ে দেখি শসা নেই। গাড়ীতে আমার ব্যাগে যে শসা, জুকিনি আছে ভুলেই গেছি। একটা অভিজ্ঞতা বটে। তবে নিমন্ত্রণ বেশ সফল হয়েছে।

তবে যেটা সাধারণত হয়, ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভাঙ্গে। সুতরাং আমার বাসা কোন ছার। আমরা সাতজন একত্র হবার পর গণিত এবং যন্ত্রপরিগণক বাদে, বাকীরা কিছুক্ষণ কোর্স, রিসার্চ, ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে গেঁজানো। এরপর সবাই মিলে যার যার এডভাইজরের শুক্রবাসরীয় গীবত করলাম। আস্তে আস্তে টপিকস সুইচ করলো মার্কিন রাজনীতি, পলিসি, সোভিয়েত, তৃতীয় বিশ্ব কি নেই।


৫’ই মে, ২০০৭

ওয়েস্ট কলাম্বিয়া।

Apr 12, 2007

১১ই এপ্রিল, ২০০৭



কিছু পরিণতি ঠেকানো যায় না সেই চেষ্টা করিনা গাড়ীর দূর্ঘটনা পরবর্তী ৩০ সেকেন্ড যেমন হয়েছিল, ঠিক সেরকম একটা ঠেকানো-অসম্ভব পরিণতির দিকেই যাচ্ছে এখন




ছবিঃ বইয়ের প্রচ্ছদ।
Fränk Zimmer (ed.)
bang
Pure Data (1. International PD-Convention Graz)
ca. 192 pages., DVD, pb., EUR 24.–, ISBN-10: 3-936000-37-9

* Musa Ramsay, MSA.

Mar 26, 2007

দন্ডিত অপুরুষ



দন্ডিত অপুরুষ তুমি


সিগারেটের ছাই ঝাড়তে ঝাড়তে নিশ্ছিদ্র কোণে একটা দমকা হাসি দেয় সাদাত।
তীব্রতম অনুরাগও মাঝে মাঝে যাতনার; ততখানিই যাতনা , যতখানি ফুটোহীন ড্রামের।
কল্পনা করো শুভ্রা, একটা ফুটোহীন ড্রাম যে চাইছে সব উপুড় করে ফেলে দিতে, কিন্তু পারছে না। কারণ তার কোন ফুটো নেই। উগরে দেওয়ার সমস্ত বাসনা নিয়ে নিশ্চুপ হয়ে বসে থাকা ছাড়া তেমন কিছু করবার নেই।

ভালবাসা যখন চারদেয়াল হয়ে যায়
দেয়ালের ভেতরের মানুষগুলো আমি, তুমি, নন্দিনী,শুভংকর
আমরা সবাই একটা ফুটোবিহীন ড্রামে পরিণত হই।
আমাদের মধ্যকার দুরত্ব যখন আণবিক হয়ে যায়
তখন বিকর্ষণ ও থাকে, আকর্ষণের সাথে ;

খুব ক্লিশে শোনায়, তাই না শুভ্রা।

অনেকবার চেষ্টা করেও যেটা পারেনি, আজ সেটা সফল হবে আশা করাটা বোকামী। তবুও চেষ্টা করল সাদাত ধোঁয়ার রিং তৈরি করতে। নাম না জানা এক দেশের মানচিত্র হয়ে গেল ধোঁয়ারা।

সিগারেটের ধোঁয়া কখনোই ভালো লাগে না শুভ্রার, অসহ্য ও লাগে না। অনেকটা মাঝামাঝি ব্যাপার। গ্যালিলিও চার ডিগ্রি কোণে দুলে ওঠা পেন্ডুলামের মত। কিন্তু সিগারেট শেষ হয়ে যাওয়ার পর যে গন্ধটা লেগে থাকে ওর শরীরে সেটায় নেশা হয় শুভ্রার। এটা কেউ জানে না।


হঠাৎ সম্বিৎ ফিরে পায়। রাজ্যের বিরক্তি এসে ভর করে, মেজাজ অষ্টমে চড়বার সব ব্যবস্থা করছে সাদাত। দেরী হয়ে যাচ্ছে ওর কোন হুঁশ নেই। ওদিকে মা বসে আছে একগাদা কাজ নিয়ে, আজ রাতে বাসায় খালা আসবে। বলতে শুরু করলে ছেলেটা আর থামেই না। এখন সম্পর্কের দূরত্ব নির্ণয় করছে, আণবিক স্কেলে। ভালবাসা না কি দেয়াল হয়ে যায়। হোক, হলেতো ভালোই। চমৎকার একটা বাড়ী করা যাবে। ভালবাসাকুঞ্জ। ওকে এখন জিজ্ঞাসা করা যায়, '' আচ্ছা, ভালবাসায় কি ছাদ হয় ? ''


বিরক্ত হবে , কিন্তু ভাব করবে হতভম্ভ হয়ে গেছে। বিরক্তিটা দেখাতে চায় না। শুভ্রা প্রায়ই এই কাজটা করে, অভ্যাসবশত অন্যমনস্ক হয়ে যায়। সাদাতের কথার মাঝখানেই এরকম দেয়াল, চারদেয়াল, ছাদ ,বাড়ী, সংসার, বাজার, কাঁথা, বালিশ সব ঘুরে এসে , হঠাৎ খেয়াল করে বাস গাবতলীতেই। স্টার্ট নেয়নি এখনো।

'' শুভ্রা ? ''

আবার সম্বিৎ ফিরে পায় শুভ্রা। হড়বড় করে বলে ওঠে, '' রিকশা ঠিক করতে হবে, দেরী হয়ে গেল। ''

সাদাত এবার আর রিং তৈরি করবার চেষ্টা করল না, একগাল ধোঁয়া এবার কোন চেষ্টার অভাবেই আরো একটা নাম না জানা দেশের মানচিত্র হয়ে চলে গেল সুদূরে।।


ছবিঃ Hand of Good, Auguste Rodin


Mar 22, 2007

টুকিটাকি

ভাবলাম শুয়ে শুয়ে একটু পড়ব। মন বলছে একটা ছবি এঁকে ফেল। এখন লিখছি। কেনো লিখি মাঝে মাঝে নিজেই বুঝি না। স্ট্রেস রিলিফের একটা কৌশল এই লেখাঝোকা। সারাদিন আজ কাজের মাঝে মাঝে কি যেন ভাবলাম। অনেকদিন কোন পাহাড়ে যাই না, সমুদ্রেও যাওয়া হয় না। কাজটা অন্যায় হচ্ছে। নিজের সাথে এবং পাহাড়-সমুদ্রের সাথে। আমার সান্নিধ্যে বঞ্চিত হচ্ছে ওরা। কাল আবার জুমা বার। হাতে একগাদা কাজ। কাল পোলো রোড পার্কে নিমন্ত্রণ। কিভাবে যেন ঝড়ের বেগে সময় পার হয়ে যাচ্ছে।

Mar 6, 2007

তিরিক্ষি মেজাজ


মাঝে মাঝে মেজাজ এত খিঁচড়ে যায়। আজ সন্ধ্যায় এসে চা বানালাম, ঝালচানাচুর। এখন লিখতে বসবার পর তালু কিছূটা ঠান্ডা হওয়া শুরু করেছে।
অসহ্য রকম মেজাজ বিগড়ে গিয়েছিল আজ। ভনিতা, প্রতারণা কিংবা ছেনালীপনা এই তিনটা একদম নিতে পারিনা। মাস ফ্লো কন্ট্রোলার একটা ফস্টিনষ্টি করছিল, সেটা একটা কারণ। কিন্তু এই মাগীর জন্য এটা নতুন কিছু না। কোলে তুলে সোহাগ করলেও দুদিন বাদে গাল ফুলিয়ে বসে থাকে, কোন কারণ ছাড়া। কিংবা কারণ এখনো আমি জানি না। তবে শুধু এটাই কারণ না, মেজাজ তিরিক্ষি হবার। আরো কিছু আছে। কেউ একজন নাটক করছে, আমি অনুভব করছি। আমার মেজাজ সেটার ফিডব্যাক দিচ্ছে। যদিও আমার চেতন মন সেরকম কোন কিছু শনাক্ত করছে না।

দেখা যাক কি হয়। এখনতো ঠান্ডা হলো অন্তত।

Feb 28, 2007

২৮ শে ফেব্রুয়ারী


জীবন রীতিমতো এলেমেলো হয়ে যাচ্ছে।
আজব সময়ে ঘুমোই, জাগি আরো আজব সময়ে
মার্চ এর দু তারিখের পর যদি কিছু হয় কি ?

হঠাৎ করে কবিতা সব আমাকে ছেড়ে চলে গেছে
এমন সময়ে তাঁর ছেড়ে যাওয়া কি শোভা পায়।।