Aug 23, 2007

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার নিন্দা জানাই

সাদা-কালো ব্লগে গানটা শুনলাম খুব ভাল লেগেছে তাই ভাবলাম যত বেশী সংখ্যক শোনাতে পারি ততো ভালো।

Lives in the Balance - Jackson Browne

Ive been waiting for something to happen
For a week or a month or a year
With the blood in the ink of the headlines
And the sound of the crowd in my ear
You might ask what it takes to remember
When you know that you've seen it before
Where a government lies to a people
And a country is drifting to war

And theres a shadow on the faces
Of the men who send the guns
To the wars that are fought in places
Where their business interest runs

On the radio talk shows and the t.v.
You hear one thing again and again
How the u.s.a. stands for freedom
And we come to the aid of a friend
But who are the ones that we call our friends--
These governments killing their own?
Or the people who finally cant take any more
And they pick up a gun or a brick or a stone
There are lives in the balance
There are people under fire
There are children at the cannons
And there is blood on the wire

Theres a shadow on the faces
Of the men who fan the flames
Of the wars that are fought in places
Where we cant even say the names

They sell us the president the same way
They sell us our clothes and our cars
They sell us every thing from youth to religion
The same time they sell us our wars
I want to know who the men in the shadows are
I want to hear somebody asking them why
They can be counted on to tell us who our enemies are
But they're never the ones to fight or to die
And there are lives in the balance
There are people under fire
There are children at the cannons
And there is blood on the wire

ভিডিওটা দেখলে, আরো ভালো লাগবে।

* ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-শিক্ষক-সাংবাদিক নিপীড়নের প্রতিবাদ জানাই।

Jul 23, 2007

২৩ শে জুলাই, ২০০৭

লেখালেখি পুরোমাত্রায় বন্ধ। এটার কি কারণ হতে পারে। ব্যস্ততা বললে ভুল হবে। ব্যস্ত আমরা সবসময়ই থাকি। কিন্তু এখন যে সময় যাচ্ছে সেটাকে বলতে পারি, সময়ের পূর্ণ ব্যবহার। জেগে থাকা প্রতিটি মুহূর্তে কিছু করছি। এই কাজ করবার ক্লান্তি যেমন আছে, তেমনি আছে ভাল লাগা বোধ। নিজেকে পূর্ণোদ্যমে খরচ করবার তৃপ্তিই আলাদা। এই সময়গুলোতে নিজের ক্ষমতা, সামর্থ্যে এবং স্বপ্নের সাথে পরিচয় হয়। যা হোক এসব বলে জল ঘোলা করে আর কাজ নেই।

এখন থেকে প্রতিদিন, অন্তত এক পাতা লিখব ঠিক করেছি।

Jun 11, 2007

ভূমিধ্বসের ভূমিকা





শেষ খবর পর্যন্ত মারা গিয়েছে ৮৬(এখন ১০৬) জন। এরকম দুই এবং তিন ডিজিটের গণমৃত্যু আমাদের দেশে নতুন না। তবুও খারাপ লাগে। শুধু বৃষ্টির জলেই মানুষ ভেসে যায় এখনো এই দেশে।

চট্টগ্রামে যে জায়গাগুলোয় দূর্ঘটনা হয়েছে তারমধ্যে কয়েকটা আমার বেশ পরিচিত। কুসুমবাগ/ডেবার পাড়/গরীবউল্লাহ্‌ শাহ্‌র মাজারের ওখানে ভূমিধ্বসের একমেবাদ্বিতীয়ম কারণ হচ্ছে অবৈধভাবে পাহাড় কাটা। যারা ভূমি আইন নিয়ে কিছু জানেন তারা হয়তো জেনে থাকবেন পাহাড়ে কোন দাগ চলে না। আরএস, পিএস কোন কিছু না। যার দখলে সেই পাহাড়ের মালিক। এই সহজ সূত্র আর মাসলম্যান দুইয়ের মিলনে চট্টগ্রাম বেরাছেড়া। কুসুমবাগের ঐ পাহাড়গুলোর বেশীরভাগেরই মালিক ইস্পাহানী। ওদের ভূ-সম্পদ নিয়ন্ত্রণ করবার সামর্থ্যে কমবার সাথে সাথে গত বিশ বছরে আগত সব কমিশনার, এলাকার মস্তান, প্রভাবশালী লোকজন যে যার মত কেটেছে পাহাড়।

পাহাড় কেটে কিভাবে জমি বের করা হয় সেটা কেউ দেখেছেন কিনা জানি না। সাধারণত করা হয় কি পাহাড়ের যে কোন একটা ঢালু পাদদেশে হঠাৎ একদিন সকালে দেখবেন একটা ঝুপড়ি মতন। দু-তিনটে রিকশার একটা গ্যারেজ, চা-বিড়ি’র দোকান।

কে খুলেছে ?
এলাকার বড় ভাই।
দুদিন বাদে একটু বাঁশ-টিন দিয়ে ছোট্ট ঘের। পাহাড়ের মালিক বুঝবার আগেই ঐ ঘেরের মধ্যে চলে কোদাল চালনা। পনেরদিনের কিম্বা মাসের মধ্যে দাঁড়িয়ে গেল প্লট। পয়েন্ট টু বি নোটেড এটা এখন ফ্লাট ল্যান্ড। পাহাড়ের অংশ না। সুতরাং কেউ একটা আরসিসি পিলার গেঁথে দিয়ে দখল নিলেই সেটা তার প্লট। পাহাড়ের যেহেতু কোনো দাগ-খতিয়ান নেই, সুতরাং দাবী করার উপায় নেই এইটা এই পাহাড়ের অংশ।

এলাকার মাস্তানেরা এইভাবে প্লট তৈরি করে এবং লোকজনের কাছে বিক্রী করে। আবার সেই প্লট যারা কিনছে তারা তৎক্ষণাৎ দখল না নিলে আরেক মাস্তান সেটা দখল করবে। সুতরাং আবার নতুন ব্যবসা। প্লট উদ্ধার করে দেওয়ার ব্যবসা।

এই যে প্লট বানানো হয়, এটা পাহাড়ের কোল কেটে বা বলা যায় পাহাড়ের পায়ের কাছে খুঁচিয়ে একটু জায়গা বের করা হয়। তার মানে ঐ প্লটের পিছনে খাড়া দাঁড়িয়ে থাকে পাহাড়। এভাবেই পাহাড় খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে প্লট যত বাড়ানো হয়, পেছনের খাড়া দেয়াল তত খাড়া হতে থাকে।

কুসুমবাগের পাহাড়(টিলা বলাই শ্রেয়) মূলত বালিমাটির। চট্টগ্রামে সব পাহাড়ের মাটিতে বালির ভাগ বেশী। এই বালির পরিমাণ ৭০ শতাংশের বেশীই হবে আমার অনুমানে। ফলে একটু মুষলধারে বৃষ্টি হলেই পাহাড় থেকে ঝরে পড়তে থাকে বালি। এই বালি যায় ড্রেনে। ড্রেন বন্ধ করে দেয় নিমিষের মধ্যেই। ফলে জল্যাবদ্ধতা। এই জলাবদ্ধতা যতখানি ড্রেনেজ সিস্টেমের দূর্বলতার জন্য ততখানিই পাহাড়ের ঢাল কেটে ফেলার, কারণে আগত বালির জন্য।

এই পাহাড়ধ্বসে মৃত্যু অনেক পুরোনো ঘটনা। নতুন কিছু নেই এতে। তারপরেও আজ খারাপ লাগলো। ভাবলাম আমি কি বড় বেশী আঞ্চলিকতায় ভুগি। অন্য একটা দেশে থেকে আজ দেশের জন্য উদাস হয় মন, আরেকদিন খারাপ হয় দূরের একটা শহরের জন্য। দেশে থাকলে হয়তো কোন বন্ধুর বাসায়, কিম্বা আর্ট কলেজের সামনে কোন এক বন্ধুর সাথে তুমুল তর্ক-আলোচনায় মেতে উঠতাম কেন হয় এরকম, কি করা উচিত এসব নিয়ে। আস্তে আস্তে ফিকে হয়ে যেত মন খারাপের মেঘ। রাতে বাসায় খেয়ে দিতাম একটা ঘুম। এখন একদলা প্যাঁপ্যাঁচে মনখারাপ নিয়ে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড খুলে বসি।

এই লেখার শেষে এসেও ভাবছিলাম এরকম ‘বন্ধু তুমি রঙ্গুম গেলা’ টাইপ ম্যাদারুস আবেগের কিছু আর লিখব না। এগুলো সম্ভবত না বলা কথা, শব্দের আকার নিচ্ছে।

May 5, 2007

শুভ জন্মদিন



ব্যস্ত একটা দিন পার করলাম গতকাল। একে শুক্রবার, সপ্তাহের শেষ দিন। তার উপর সেমিস্টার শেষের দিন বলা যায়। সকালে পরীক্ষা দিলাম। কি দিলাম শুধু আমি জানি, আমার পেন্সিল জানে। পরীক্ষার জন্য পড়তে হবে এই মানসিকতা একদম গেছে আমার। পড়াই হয় না। তাও দিয়ে এসেছি। অবশ্য প্রজেক্ট প্রেজেন্টেশান খুব ভাল হয়েছে। সুতরাং এ যাত্রা রক্ষা। পরীক্ষার পর যথারীতি বিস্কিট দিয়ে লাঞ্চ করে মসজিদে গিয়েছি। এসে রবার্ট কে নিয়ে এগযসট লাইন নতুন করে বানালাম। ওকে অনেক আগেই মসলাদার খাবার খাওয়াবো বলেছিলাম। আর ওদিকে প্রদীপ্ত এন্ড গং’ রা আমার মিক্সড ভেজিটেবল এর প্রশংসা শুনে বসে আছে খাবার জন্য। তাই ওদের সবাইকে রাতে আমার বাসায় খাওয়ার নিমন্ত্রণ করেছিলাম।

জন্মদিন বিষয়টা কখনোই সেই অর্থে নোটেবল কিছু ছিল না আমার কাছে। কখনো উৎসব করে পালন করিনি। কলেজ ভর্তি হবার পর থেকে বন্ধুরা জন্মদিনে শুভেচ্ছা দিত এইটুকুই। গতবছর জন্মদিনের দিন রুমমেটকে Yesterday রেস্টুরেন্টে খাইয়েছিলাম। বেচারা গত চারদিন আগে জানতে পারলো সেটা ছিল আমার জন্মদিন। খুব আফসোস করছে এখন।

সকালে পরীক্ষার মাঝখানে কল পেলাম শামীমা আক্তার (সম্ভবত। নাম ভুল হলে শামী কাবাব বানাবে আমাকে) সাকী’র। অনেকদিন কল করিনি, কল করলে আমার ত্যাঁদড় হেডফোন এর কারণে কথা ওদিকে শোনা যায় না। এই সব নিয়ে সে দেখলাম বোমা হয়ে আছে। ফোন ধরার পর ‘শুভ জন্মদিন’ বলতে যতক্ষণ লাগে তাই রক্ষা। এরপর শুরু হলো ঝাড়ি। বাপস। আরে দোস্তলোগ এত অল্পে ক্ষেপলে কি চলে ? এখন এই বাবদ আরো মাস ছয়েক যখনই কথা হবে আশা করছি ছোট ছোট কিস্তিতে ঝাড়াঝাড়ি করবে।

নিমন্ত্রণ তো করলাম কিন্তু রক্ষা কে করবে। এগযসট লাইনের কাজ শেষ করে ওয়ালমার্ট, সেখান থেকে বাজার করে বাসায় আসতে আসতে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা। দাওয়াত যখন আমরা খেতে যাই, আমরা জানিও না এর পেছনে কি কর্মযজ্ঞ ছিল। গতকাল সেটা হাড়ে হাড়ে টের পেলাম। মিক্সড ভেজি এবং চিকেন ভূনা দুটো আইটেম। আমার চুলোয় একটা মাত্র বড় হিটার, বাকী তিনটা ছোট। ফলে একটা একটা আইটেম রান্না করতে হবে। বড় ননস্টিক আছে মাত্র একটা যেটাতে রান্না করতে কমফোর্ট ফিল করি। ফাও পাওয়া গেঞ্জাম হলো ফ্রোজেন চিকেন। বরফ যুগের তিনটে বরফ খন্ড। সালদ করতে গিয়ে দেখি শসা নেই। গাড়ীতে আমার ব্যাগে যে শসা, জুকিনি আছে ভুলেই গেছি। একটা অভিজ্ঞতা বটে। তবে নিমন্ত্রণ বেশ সফল হয়েছে।

তবে যেটা সাধারণত হয়, ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভাঙ্গে। সুতরাং আমার বাসা কোন ছার। আমরা সাতজন একত্র হবার পর গণিত এবং যন্ত্রপরিগণক বাদে, বাকীরা কিছুক্ষণ কোর্স, রিসার্চ, ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে গেঁজানো। এরপর সবাই মিলে যার যার এডভাইজরের শুক্রবাসরীয় গীবত করলাম। আস্তে আস্তে টপিকস সুইচ করলো মার্কিন রাজনীতি, পলিসি, সোভিয়েত, তৃতীয় বিশ্ব কি নেই।


৫’ই মে, ২০০৭

ওয়েস্ট কলাম্বিয়া।

Apr 27, 2007

কালো ভবঘুরে



শৈশবে আমাদের পাড়ায় এক ভবঘুরে দেখতাম। আমাদের পাড়ার বাসিন্দা সে ছিলোনা, তবে ঘুরে ঘুরে কিছুদিন পর পর আসতো। নির্দিষ্ট কিছু বাড়ী ছিলো যেগুলোর ছায়ার সে জ্যেষ্ঠ মাসের কড়া রোদে বিশ্রাম নিত। বেশ লম্বা, কালো পেটানো শরীর। পিঠে বিশাল এক বোঝার কারণে খুব ঝুঁকে থাকত। দেখে মনে হত দুঃখ ভারাক্রান্ত যোদ্ধা। চোখ দুটো ছিল শিশুর সারল্য। প্রায়শই ওর আস-পাশ ঘুরতাম, আগ্রহ অনুভব করতাম মানুষটার প্রতি। লোকটার কাঁধে এত বড় বোঝা কেন ? বিচিত্র এক বোঝা, কোল্ড ড্রিংক’স এর খালি প্লাস্টিক এর বোতল থেকে, লাল-নীল রংয়ের কাপড়ের টুকরো, পলিথিন, ছেঁড়া জুতো। খুব সাধারণ সব বস্তুর সমাহার। নিজের চেয়েও বড় সেই বোঝা বহন করছে, পিঠ কুঁজো করে। ওর কথা শুনবার একটা অদম্য ইচ্ছে ছিল, কিন্তু শোনা হয়নি। এখনো জানিনা সে কী কথা বলতে পারে না? না কি সে কথা বলতো না। আমার ধারনা সে কথা বলতে পারে, কিন্তু সে বলতো না। নিজের মাঝে এক বিশাল সমুদ্রে, সে একা এক নির্জন দ্বীপে বাস করত। কখনো দেখে মনে হয়নি, এই বিশাল দালান, জীবনের নানাবিধ আয়োজন কোনো কিছুই তার নির্জনতা ভঙ্গ করছে।

কিছু কিছু শিশুসুলভ আগ্রহ আমরা সযত্নে লালন করি, দীর্ঘদিন কিংবা অনন্তকাল। আগ্রহ মিটবার সম্ভাবনা খুব কম জেনেও আমরা সেই আগ্রহ ঝেড়ে পুঁছে যত্ন করে রাখি। ওর গলার স্বর শুনবার আগ্রহ, আমার সেই রকম একটা আগ্রহ।

Apr 12, 2007

১১ই এপ্রিল, ২০০৭



কিছু পরিণতি ঠেকানো যায় না। সেই চেষ্টা ও করিনা। গাড়ীর দূর্ঘটনা পরবর্তী ৩০ সেকেন্ড যেমন হয়েছিল, ঠিক সেরকম একটা ঠেকানো-অসম্ভব পরিণতির দিকেই যাচ্ছে এখন।




ছবিঃ বইয়ের প্রচ্ছদ।
Fränk Zimmer (ed.)
bang
Pure Data (1. International PD-Convention Graz)
ca. 192 pages., DVD, pb., EUR 24.–, ISBN-10: 3-936000-37-9

* Musa Ramsay, MSA.

Mar 26, 2007

বিকিয়ে যাওয়া ঈশ্বর


অ .

তখন ছিলাম থার্ড ইয়ারে। জীবনযাপন নিয়ে খুব বেশী ভাবিত নই। টিউশানি আছে মাসের শেষে টাকা আসবে। তিন মাস টিউশানি না করার নিশ্চয়তা ব্যাংকে রেখেছি। বেশ সুখী জীবন বলা চলে নিশ্চিতভাবেই এটাকে। খাই , ঘুমাই , ক্লাস করি। সকালে কার্জন হল দিয়ে শুরু, দুপুরে মধু , বিকালে শাহবাগ, সন্ধ্যায় টিএসসি হয়ে রাতে ঈশা খাঁ রোডে গপ্পোবাজির সীমানা।

এরকম একটা দিনে সন্ধ্যায় রুনু মুখার্জীর বংশীবাদন শুনতে যাদুঘরে ঢুকেছি, ঢুকার সময় বেশ চেক আপ হল, বুঝলাম না। অনুষ্ঠান শেষে বের হয়ে দেখি চারিদিকে একটা গুমোট ভাব। পরদিন চট্টগ্রাম যাবো, তাড়াতাড়ি ঘর মুখো হলাম। ঘর থেকে সরাসরি বাস স্টেশন।

আমার চট্টগ্রামের বাসায় খবর দেখবার বাতিক আছে। তখনো বিবিসির শাসন চলছে টিভিতে। বড়ভাই পারলে দুইচোখের একটা দিয়ে বিবিসি আর একটা দিয়ে সিএনএন দেখে। বাসায় সকালে পৌঁছেই খবরটা দেখলাম। টুইন টাওয়ার স্ম্যাশড টু গ্রাউন্ড।

এক লহমায় বিশ্বরাজনীতির নতুন পাতা শুরু হল। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। নিউইর্য়ক এর গ্রাউন্ড জিরো থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ জগন্নাথ পাঁড় পর্যন্ত পৌঁছোলো।


আ .

সত্তর দশকের শেষদিকে পাকিস্তান বর্ডারে করা মাদ্রাসাগুলোর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য আরো বিশ বছর বাদে
আফগানিস্তানে তালেবান শাসনের মধ্য দিয়ে আমরা দেখলাম।


ই .

বাংলা ভাইয়ের ফাঁসি হবে। আমি খুব একটা আনন্দিত নই এই খবরটায়। ব্যক্তিগতভাবে আমি মৃত্যুদন্ডের বিরোধী। আরো ঘোর বিরোধী আমি অপরাধীর ফাঁসির মধ্য দিয়ে পাপের চিহ্ন মুছবার প্রক্রিয়ার। কারণ আমার খুব সাধারণ মস্তিষ্ক বলে, দেশের পাঁচশো জায়গায় একই সময়ে বোমা বিস্ফোরণ করানোর মত সামর্থ্যে বাংলাদেশের হাতে গোনা কয়েকটি সংগঠনের আছে। তার মধ্যে কোনো নাবালক সংগঠন নেই। কিন্তু এক নাবালকের ঘাড়ে দায় চাপিয়ে, ঘাগুরা পর্দার আড়ালে ইতিমধ্যে চলে গেছে।


ঈ .

আগামী শনিবার বাংলাদেশ-ইন্ডিয়ার খেলা দেখবো। আমাদের নার্ভ টানটান হয়ে থাকবে খেলার প্রতিটি মূহুর্ত।

বউবাজার বস্তি আগুনে পুড়ে গেল। টানবাজার উচ্ছেদ হয়ে গেল সেই কবে। সোনারগাঁওয়ের বস্তিটা উন্নয়নের মডেল হিসেবে আরো কিছু কাল থাকবে।

বিশেষ বাহিনী আরো কিছু রাজনীতিবিদ ধরবেন। বছর তিনেক বাদে সামরিক-বেসামরিক, গৃহপালিত-বন্য মিলিয়ে শ-তিনেক রাজনীতিবিদের সংসদ ভবন ভর্তি থাকবে। নতুন ফাইটার জেট কিনবার জন্য তারা কাড়ি কাড়ি টাকা বরাদ্দ দেবেন।


এ .

আমাদের ছাপোষা জীবনে ঈশ্বর তার অসীম ক্ষমতা নিয়ে সবসময়ই থাকবেন। স্টিফেন হকিং অসীম ঘনত্বের মটর দানা সদৃশ সৃষ্টিরহস্যের কথা যতই বলুন, ঈশ্বর সপ্তর্ষীমন্ডলের চেয়ে ও বেশী উজ্জ্বলতায় আমাদের আকাশে থাকবেন।

ঐ .

এই ঈশ্বর আমার নয়,
কখনোই বোধকরি ছিলেন না
চড়া দামে বিকিয়ে যাওয়া
এই ঈশ্বরের দিকে এক দলা থুতু দিই
।।



ছবিসূত্রঃ Post Secret